মূল লেখায় যান

ঢাকা

উত্তরায় অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রয়

উত্তরায় ফ্ল্যাট বিক্রয়: সেক্টরগুলো কীভাবে আলাদা, ফ্ল্যাটের সাধারণ মাপ ও দাম, মেট্রোর সুবিধা, আর কেনার আগে কী কী যাচাই করবেন। প্রতিটি ইউনিটের সম্পূর্ণ বিবরণ।

উত্তরা ঢাকার সেই অংশ, যেখানে ঠিকানার চেয়ে সেক্টরের নম্বরটাই বেশি কথা বলে। এলাকাটা সাজানো হয়েছিল নম্বর দেওয়া সেক্টরে, আর সেগুলো গড়ে উঠেছে আলাদা আলাদা সময়ে, আলাদা ঘনত্বে — তাই এক কিলোমিটার দূরের দুটো ফ্ল্যাট থাকতে পারে একেবারে ভিন্ন দুই পরিবেশে। সেক্টর ৩, ৪, ৬ ও ৭ অনেক আগে থেকে গড়ে ওঠা, পুরোপুরি ভরা, আর বাণিজ্যিক এলাকার কাছে। পূর্ব দিকের বড় নম্বরের সেক্টরগুলো নতুন, নিরিবিলি, এখনো ভরে উঠছে — যার মানে সাধারণত একই টাকায় বড় ফ্ল্যাট, তবে হাঁটা দূরত্বে দোকানপাট-সুবিধা আজ কম।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তরার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন মেট্রো। উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার আর উত্তরা দক্ষিণ স্টেশন প্রথমবারের মতো ঢাকার কেন্দ্রে যাওয়ার সময়টাকে নিশ্চিত করে দিয়েছে, আর এই নিশ্চয়তাটাই এতদিন ছিল না — মতিঝিল যেতে কোনোদিন লাগত পঞ্চাশ মিনিট, কোনোদিন দুই ঘণ্টা। ক্রেতার জন্য স্টেশনের কাছে থাকা এখন দামের একটা আসল উপাদান, আর সেটা মাপা উচিত ম্যাপের কিলোমিটারে নয়, হাঁটার মিনিটে।

উত্তরায় ফ্ল্যাটের সাধারণ মাপ ১,২০০ থেকে ২,২০০ বর্গফুটের মধ্যে, আর তিন বেডরুমের ফ্ল্যাটই সবচেয়ে বেশি। পুরোনো সেক্টরগুলোতে ছয় থেকে আট তলার বিল্ডিংয়ে মাঝারি ফ্ল্যাট বেশি; নতুন সেক্টরগুলোতে বড় ফ্ল্যাট আর হালের নির্মাণ বেশি। সেক্টর আর মেট্রো স্টেশন থেকে দূরত্ব অনুযায়ী দাম অনেকটা ওঠানামা করে। আর এয়ারপোর্টের যে কাছে থাকা উত্তরাকে সুবিধাজনক করে, সেটাই এর কিছু অংশকে রাখে বিমান ওঠানামার পথের নিচে — সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যেটা নিজে গিয়ে কানে শুনে নেওয়া ভালো।

স্কুল, হাসপাতাল আর বাজার এখানে সত্যিই কাছে, গাড়ি নিয়ে যাওয়ার দূরত্বে নয়। এলাকায় বেশ কয়েকটি নামকরা ইংরেজি মাধ্যম স্কুল আছে, উত্তরার ভেতরেই বড় হাসপাতাল আছে, আর বাণিজ্যিক রাস্তাগুলোতে কাঁচাবাজার থেকে শপিং মল, সব মেলে। একটা পরিবারের জন্য এই স্বয়ংসম্পূর্ণতা আর মেট্রো — এই দুইয়ের মিলটাই শহরের কেন্দ্রের কাছের কোনো জায়গার বদলে উত্তরা বেছে নেওয়ার আসল কারণ।

কেনার আগে শুধু এলাকার নাম নয়, সেক্টর আর নির্দিষ্ট রোডটা যাচাই করুন। রাজউকের অনুমোদন দেখতে চান, আর তোলা তলাগুলো তার সঙ্গে মিলছে কি না। পানির সরবরাহ আর জেনারেটরের ব্যবস্থা জিজ্ঞেস করুন — এখানে বিল্ডিং ভেদে এটা মানুষের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি আলাদা। পার্কিংয়ের বরাদ্দ পুরো বিল্ডিংয়ের হিসাবে নয়, ফ্ল্যাট ধরে নিশ্চিত হন। আর মেট্রো যদি কেনার কারণের একটা অংশ হয়, বিল্ডিং থেকে কাছের স্টেশন পর্যন্ত একবার হেঁটে যান — দিনের যে সময়টায় সত্যিই যাবেন, ঠিক সেই সময়ে।

উত্তরায় প্রপার্টির দাম কেমন

খোঁজা শুরুর আগে একটা ধারণা পেতে, এই এলাকার সাধারণ বাজারদর। এগুলো আমাদের মূল্য নয় — কোনো নির্দিষ্ট অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য নির্ভর করে কোন তলা, কোন দিকে মুখ, আর বিল্ডিংয়ে কী বাকি আছে তার ওপর; সেই অঙ্কটা আপনি চাইলেই আমরা পাঠিয়ে দিই।

উত্তরায় প্রপার্টির সাধারণ বাজারদর, ধরন ও আয়তন অনুযায়ী
ধরন ও আয়তনসাধারণ দরমন্তব্য
২ বেডরুম, ১,০০০–১,৩০০ বর্গফুটবর্গফুটপ্রতি ৭,৫০০ – ১০,০০০ টাকাবাইরের সেক্টরগুলোতে নিচের দিকের দর
৩ বেডরুম, ১,৪০০–১,৯০০ বর্গফুটবর্গফুটপ্রতি ৮,৫০০ – ১২,০০০ টাকা—
৪ বেডরুম, ২,০০০–২,৬০০ বর্গফুটবর্গফুটপ্রতি ১০,০০০ – ১৪,০০০ টাকা—
মেট্রো স্টেশন থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেসেক্টরের গড়ের চেয়ে মোটামুটি ১০ – ১৫% বেশিহাঁটার সময়ে মাপা, দূরত্বে নয়

উত্তরায় ফ্ল্যাট কেনার আগে

খোঁজা শুরুর আগে মানুষ যা জিজ্ঞেস করে। আপনারটি এখানে না থাকলে আমাদের জিজ্ঞেস করুন।

উত্তরার কোন সেক্টরে ফ্ল্যাট কেনা সবচেয়ে ভালো?

পুরোনো সেক্টরগুলো — ৩, ৪, ৬ ও ৭ — পুরোপুরি গড়ে উঠেছে আর বাণিজ্যিক এলাকা ও মেট্রোর সবচেয়ে কাছে, যা পরে বিক্রির দাম ধরে রাখে। পূর্ব দিকের নতুন সেক্টরগুলোতে সাধারণত একই টাকায় বড় ফ্ল্যাট আর নতুন নির্মাণ মেলে, তবে হাঁটা দূরত্বে দোকানপাট-সুবিধা আজ কম। কোনটা ভালো, সেটা নির্ভর করে আপনি এখনই সুবিধা চান, না এখনই জায়গা চান।

উত্তরায় একটি ফ্ল্যাটের দাম কত?

উত্তরায় বাজারদর সাধারণত বাইরের সেক্টরে বর্গফুটপ্রতি প্রায় ৭,৫০০ টাকা থেকে শুরু করে মেট্রো স্টেশনের কাছের পুরোনো সেক্টরে প্রায় ১৪,০০০ টাকা পর্যন্ত। এগুলো এলাকার সাধারণ দর, আমাদের নিজেদের দাম নয় — নির্দিষ্ট কোনো ফ্ল্যাটের কথা জিজ্ঞেস করুন, সেই ফ্ল্যাটের আজকের দাম আমরা পাঠিয়ে দেব।

মেট্রো কি উত্তরার প্রপার্টির দাম বদলে দিয়েছে?

মেট্রো যাতায়াতের সময়টা নিশ্চিত করে দিয়েছে — অন্য এলাকায় মানুষ আসলে এই নিশ্চয়তার জন্যই বেশি দাম দিচ্ছিল। উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার বা উত্তরা দক্ষিণ স্টেশন থেকে অল্প হাঁটা দূরত্বের ফ্ল্যাটগুলো একই সেক্টরের দূরের ফ্ল্যাটের চেয়ে বাড়তি দাম পায়। কোনো বিল্ডিং স্টেশনের কাছে ধরে নেওয়ার আগে পথটা নিজে হেঁটে দেখুন।

উত্তরায় বিমানের শব্দ কি সমস্যা?

পুরোটাই নির্ভর করে উত্তরার ঠিক কোথায়, তার ওপর। এলাকার কিছু অংশ বিমান ওঠানামার পথের নিচে, কিছু অংশ নয়, আর পার্থক্যটা কানে ধরা পড়ে। এটা বিজ্ঞাপন দেখে বোঝার বিষয় নয় — নির্দিষ্ট বিল্ডিংটিতে যান, সম্ভব হলে একাধিকবার, দিনের আলাদা আলাদা সময়ে।

উত্তরা চেনেন এমন একজনের সঙ্গে কথা বলুন

নির্দিষ্ট কোনো অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য জানতে চান? সেটির পাতায় গিয়ে সেখানেই জিজ্ঞেস করুন — ওই ইউনিটের আজকের মূল্যটি পাবেন। এলাকা নিয়ে অন্য যেকোনো প্রশ্নে ফোন বা মেসেজ করুন।

যোগাযোগ করুন

কী খুঁজছেন লিখুন — এলাকাটি চেনেন এমন একজন আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

যেমন 01712345678 বা +44 7700 900111

আপনার তথ্য শুধু আমাদের সেলস টিমের কাছে যায়, কোথাও প্রকাশ করা হয় না।

আমাকে ফোন করুন

আপনার নম্বর আর সুবিধাজনক সময়টা লিখুন, আমাদের টিম থেকে কেউ ফোন করবেন।

যেমন 01712345678 বা +44 7700 900111

যেমন সন্ধ্যা ৬টার পর, বা শনিবার সকালে

আপনার তথ্য শুধু আমাদের সেলস টিমের কাছে যায়, কোথাও প্রকাশ করা হয় না।