বিক্রয়ের জন্যজমি · উত্তরা
ডেমো প্লট — উত্তরা সেক্টর ১৮
6.05 কাঠা
ঢাকা
উত্তরায় প্লট বিক্রয়: সেক্টর আর সামনের রাস্তা কেন দাম ঠিক করে, মেট্রো কী বদলেছে, আর কেনার আগে বরাদ্দ নিয়ে কী নিশ্চিত হবেন।
উত্তরার ভেতরের প্লট বাজারে আসে কালেভদ্রে, আর এই একটা সত্যই ব্যাখ্যা করে দেয় সেগুলোর দাম কীভাবে ধরা হয়। এলাকাটা সাজানো হয়েছিল নম্বর দেওয়া সেক্টরে আর গড়ে উঠেছে কয়েক দশক ধরে; এখন পুরোনো সেক্টরগুলো কার্যত ভরা, তাই হাতবদল হওয়া একটা প্লট সাধারণত নতুন বরাদ্দ নয়, কারও কাছ থেকে কেনা। এখানকার ক্রেতা লড়ছেন একটা বাঁধা জোগানের জন্য, এমন এক ঠিকানায় যেটা সবে অনেক ভালোভাবে যুক্ত হয়েছে — আর এই মিল থেকে সস্তা কিছু বেরোয় না।
জমিতেও সেক্টর ততটাই গুরুত্বপূর্ণ, যতটা ফ্ল্যাটে। সেক্টর ৩, ৪, ৬ ও ৭ অনেক আগে থেকে গড়ে ওঠা, বাণিজ্যিক এলাকার সবচেয়ে কাছে, আর সেখানকার জমির দাম সেই অনুযায়ী। পূর্ব দিকের বড় নম্বরের সেক্টরগুলো গড়ে উঠেছে পরে, এখনো ভরে উঠছে, আর একই টাকায় জমি দেয় বেশি — তবে হাঁটা দূরত্বে দোকানপাট-সুবিধা আজ কম। কোনটা ভালো কেনাকাটা, সেটা পুরোপুরি নির্ভর করে আপনি শিগগিরই বাড়ি করে থাকতে কিনছেন, না ধরে রাখতে।
সেক্টরের পরে দামের সবচেয়ে বড় নির্ধারক প্লটের সামনের রাস্তা, কারণ সেটাই ঠিক করে কী তৈরি করা যাবে। চওড়া রাস্তার প্লটে সরু গলির একই মাপের প্লটের চেয়ে অনেক উঁচু বিল্ডিং ওঠে, আর যেখানে প্লটের জোগান বাঁধা, সেখানে সেই অনুমোদিত উচ্চতাটাই আসলে আপনি কিনছেন। এখানে জমি বিক্রি করছেন এমন যে কারও সামনের রাস্তার মাপ বলতে দ্বিধা না করার কথা।
মেট্রো জমির হিসাবকে ফ্ল্যাটের মতোই বদলে দিয়েছে, বরং একটু বেশি। উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার আর উত্তরা দক্ষিণ ঢাকার কেন্দ্রে যাতায়াতের সময় নিশ্চিত করে দিয়েছে, আর স্টেশন থেকে সত্যিই হেঁটে যাওয়ার দূরত্বের একটা প্লট সেই বাড়তি দামটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখে — কারণ বিল্ডিং বদলানো যায়, ঠিকানা বদলানো যায় না। ম্যাপের দূরত্বে ভরসা না করে হাঁটার পথটা নিজে মেপে নিন।
কাগজপত্রের যাচাইগুলো সাধারণ, আর পুরোপুরি প্রযোজ্য: বিক্রেতার নামে হালনাগাদ নামজারি, ভূমি উন্নয়ন করের হালনাগাদ রসিদ, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি (কোনো দায়-দেনা আছে কি না), আর মাঠের প্লট কাগজের সঙ্গে মেলা। প্লটের শুরু বরাদ্দে হলে নিশ্চিত হন সেটা কোন ধাপে আছে আর সেই ধাপে হস্তান্তরের অনুমতি আছে কি না। ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া হলে — পুরোনো সেক্টরগুলোতে এখন যার বড় অংশই তাই — নিশ্চিত হন দাবিদার প্রত্যেক ওয়ারিশ সই করেছেন।
খোঁজা শুরুর আগে একটা ধারণা পেতে, এই এলাকার সাধারণ বাজারদর। এগুলো আমাদের মূল্য নয় — কোনো নির্দিষ্ট অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য নির্ভর করে কোন তলা, কোন দিকে মুখ, আর বিল্ডিংয়ে কী বাকি আছে তার ওপর; সেই অঙ্কটা আপনি চাইলেই আমরা পাঠিয়ে দিই।
সই করার আগে যে প্রশ্নগুলো ওঠে। আপনারটি এখানে না থাকলে আমাদের জিজ্ঞেস করুন।
কারণ জোগান কার্যত বাঁধা। পুরোনো সেক্টরগুলো গড়ে উঠে গেছে, তাই বাজারে যে প্লট আসে তা নতুন বরাদ্দ নয়, কারও কাছ থেকে কেনা; আর মেট্রো সেই একই সীমিত জোগানের চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে। এখানে দাম ঠিক করে জমির মাপ নয়, জমির অভাব।
পুরোনো সেক্টরগুলো — ৩, ৪, ৬ ও ৭ — বাণিজ্যিক এলাকা আর মেট্রোর সবচেয়ে কাছে, আর দামও সবচেয়ে ভালো ধরে রাখে। পূর্ব দিকের নতুন সেক্টরগুলোতে একই টাকায় জমি বেশি পাওয়া যায়, তবে সেগুলো এখনো পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। আপনি শিগগিরই বাড়ি করে থাকতে চান, না ধরে রাখতে চান — বাছাইটা সেটার ওপর।
মেট্রো ঢাকার কেন্দ্রে যাতায়াতের সময়টা নিশ্চিত করে দিয়েছে, আর উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার বা উত্তরা দক্ষিণ স্টেশন থেকে সত্যিই হেঁটে যাওয়ার দূরত্বের প্লটগুলো সেজন্য বাড়তি দাম পায়। বিল্ডিং পরে বদলানো যায়, কিন্তু অবস্থান বদলানো যায় না — তাই এই বাড়তি দামটা থেকে যায়। কোনো প্লট স্টেশনের কাছে ধরে নেওয়ার আগে পথটা নিজে হেঁটে দেখুন।
প্রথমে সামনের রাস্তা আর সেক্টর, কারণ এই দুটো মিলেই ঠিক হয় কী তৈরি করা যাবে আর দাম কত হবে। তারপর কাগজপত্র: হালনাগাদ নামজারি, খাজনার রসিদ, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি (কোনো দায়-দেনা আছে কি না), মাঠের প্লট কাগজের সঙ্গে মিলছে কি না, বরাদ্দের প্লট হলে বরাদ্দ কোন পর্যায়ে আছে, আর ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া জমিতে প্রত্যেক ওয়ারিশের সই।
নির্দিষ্ট কোনো অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য জানতে চান? সেটির পাতায় গিয়ে সেখানেই জিজ্ঞেস করুন — ওই ইউনিটের আজকের মূল্যটি পাবেন। এলাকা নিয়ে অন্য যেকোনো প্রশ্নে ফোন বা মেসেজ করুন।