জমির মালিকদের জন্য
আপনার জমি, দুই হিসাবেই মূল্যায়ন
সরাসরি বিক্রি করুন, অথবা আমাদের সঙ্গে জমিতে বিল্ডিং তুলুন — সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আমরা দুই হিসাবই আপনাকে দিই, আর আপনার প্লটের তথ্য একটি গোপনীয় ইনবক্সের বাইরে কোথাও যায় না।
বিক্রি করবেন, নাকি বিল্ডিং তুলবেন?
আমাদের সঙ্গে কাজ করার দুটি পথ, দুটিই ঠিক — একটিতে টাকা পাবেন এখনই, অন্যটিতে আয় হবে বছরের পর বছর। আপনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আমরা দুই হিসাবেই আপনার প্লটের মূল্যায়ন করে দেব।
01
জমি বিক্রি করুন
একবারে টাকা, একবারে রেজিস্ট্রেশন — কাজ শেষ। যাঁরা বিল্ডিং নয়, নগদ টাকাটাই চান, তাঁদের জন্য।
বিস্তারিত দেখুন02
আমাদের সঙ্গে বিল্ডিং তুলুন
জমি থাকবে আপনারই, আর সেখানে যে বিল্ডিং উঠবে তার অ্যাপার্টমেন্ট পাবেন আপনি। যাঁরা চান প্লটটি বছরের পর বছর আয় করে যাক, তাঁদের জন্য।
বিস্তারিত দেখুন
আমরা যা হ্যান্ডওভার করেছি
- বছর ধরে ঢাকায় নির্মাণে
- 05
- since 2021
- টি প্রজেক্ট হ্যান্ডওভার
- 100+
- since 2021
- বর্গফুট হ্যান্ডওভার
- 10000M+
- টি পরিবার আমাদের বিল্ডিংয়ে থাকে
- 1000+
- নতুন জমি এসেছে আগের জমির মালিকদের সূত্রে
- 50%
- টিমের এই অংশ প্রকৌশল ও মান নিয়ন্ত্রণে
- 40%
হ্যাঁ বলার আগে যা জানতে চান সবাই
প্রতিটি জমির মালিকই আমাদের যা জিজ্ঞেস করেন — আপনার জিজ্ঞেস করার আগেই উত্তর দিয়ে রাখলাম।
- বিল্ডিং যদি শেষই না হয়?
- হ্যান্ডওভারের তারিখ চুক্তির শর্ত, কোনো আশ্বাস মাত্র নয় — আর তারিখ পিছোলে কী হবে, সেটাও লেখা থাকে। নির্মাণের টাকা কাজ শুরুর আগেই নিশ্চিত থাকে, তাই কাজ চালিয়ে যেতে ফ্ল্যাট আগাম বিক্রির ওপর নির্ভর করতে হয় না। আর জমি পুরো সময় আপনার নামেই থাকে: যা আমাদের নয়, তা আমরা বিক্রি করতে পারি না।
- অনুপাতটা ন্যায্য কি না, বুঝব কীভাবে?
- ভাগাভাগির হিসাব আসে আপনার প্লটের পরিমাণ, সামনের রাস্তা আর রাজউক কতটা অনুমোদন দেবে তা থেকে — আপনি কতটায় রাজি হবেন বলে আমরা ভাবি, তা থেকে নয়। কোনো কিছুতে সই করার আগেই পুরো হিসাবটা আর তাতে কত ফ্লোর এরিয়া পড়ে, সেটা আপনাকে দেখাই; চাইলে সেটা অন্য ডেভেলপারের কাছে নিয়ে গিয়ে মিলিয়ে দেখতেও পারেন।
- কয়েক বছর আগে যা পেতাম, এখন কি তার চেয়ে কম পাব?
- হতে পারে, আর সেটা খোলাখুলি বলাই ন্যায্য। ২০২২ সালের ড্যাপ (বিস্তারিত এলাকা পরিকল্পনা) ঢাকার বড় অংশে অনুমোদিত ফ্লোর এরিয়া কমিয়ে দিয়েছে, তাই একই প্লটে এখন আগের চেয়ে ছোট বিল্ডিং হয়। এটা সব ডেভেলপারের বেলাতেই সমান। আজ আপনার জমিতে যা করা সম্ভব, আমরা তারই হিসাব দিই — পুরোনো নিয়মের কোনো সংখ্যা নয়।
- জমির ওপর আমার নিয়ন্ত্রণ কি চলে যাবে?
- না। দলিল আপনার নামেই থাকে। জয়েন্ট ভেঞ্চার একটি ডেভেলপমেন্ট চুক্তি, বিক্রি নয় — মালিকানার কোনো হাতবদল হয় না। সম্পন্ন বিল্ডিংয়ে আপনার ফ্ল্যাটগুলো চুক্তিতে ইউনিট ধরে ধরে লেখা থাকে, সঙ্গে তাদের পার্কিং।
এরপর কী হয়
চারটি ধাপ, যেকোনো ধাপের পর আপনি থেমে যেতে পারেন।
প্লটের তথ্য পাঠান
১ দিনশুরু করতে জমির পরিমাণ, অবস্থান আর সামনের রাস্তা কত ফুট — এটুকুই যথেষ্ট। এই পাতার ফর্মটি পূরণ করতে দুই মিনিট লাগে, আর আপনি যা পাঠান তার কিছুই প্রকাশ হয় না, কারও কাছে যায়ও না।
কী করা সম্ভব, আমরা হিসাব করি
১–২ সপ্তাহআমরা প্লটটি দেখি, জোনিং আর সামনের রাস্তা যাচাই করি, আর রাজউক কতটা ফ্লোর এরিয়া অনুমোদন দেবে সেটা হিসাব করি। আপনি শুধু উত্তরটা নয়, পুরো হিসাবটাই পান।
ভাগ আর সাইনিং মানি ঠিক হয়
২–৩ সপ্তাহপ্রস্তাবিত ভাগ, তাতে কত ফ্লোর এরিয়া পড়ে, আর চুক্তি সইয়ের সময় আপনি কত টাকা পাবেন — তিনটিই লিখিতভাবে দেখে নেন, কোনো কিছুতে সই করার আগে।
নকশা আর রাজউকের অনুমোদন
৬–৯ মাসমাটি পরীক্ষা, স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং আর প্ল্যান পাস — সবই আমরা করি, আমাদের খরচে। প্রতিটি ধাপ আপনাকে দেখানো হয়; কোনো কিছুর পেছনে আপনাকে দৌড়াতে হয় না।
নির্মাণ আর হ্যান্ডওভার
৩০–৩৬ মাসনির্মাণের টাকা আর তদারকি আমাদের, মালামাল চুক্তিতে নাম লেখা ব্র্যান্ডের। কাজ শেষে আপনার ফ্ল্যাটগুলো আর তাদের পার্কিং আপনি বুঝে নেন।
আপনার প্লটে কী করা সম্ভব, জানতে চান?
নিজের জমিতে বিল্ডিং তুলুনযা আমরা লিখিতভাবে দিই
নিচের প্রতিটি কথা নির্মাণ শুরুর আগেই জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তিতে লিখে দেওয়া হয়।
লিখিত হ্যান্ডওভারের তারিখ
তারিখটি চুক্তির শর্ত, আর পিছোলে কী হবে সেটাও লেখা — ব্রোশিওরের কোনো লক্ষ্যমাত্রা নয়।
নির্মাণের স্পেসিফিকেশন, যা আপনি নিজে যাচাই করতে পারেন
বিল্ডিংয়ের কাঠামো নকশা করা হয় বর্তমান বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভূমিকম্প আর আগুনের ভার হিসাব করে, আর সেই স্পেসিফিকেশন চুক্তির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া থাকে।
মালামালের নাম লেখা থাকে, বিশেষণ নয়
রড, সিমেন্ট আর ফিটিংস চুক্তিতে ব্র্যান্ড আর গ্রেড ধরে লেখা থাকে, শুধু ‘প্রিমিয়াম’ বলে ছেড়ে দেওয়া হয় না — তাই যেকোনো সময় সাইটে গিয়ে নিজেই মিলিয়ে নিতে পারেন।
চাবি বুঝিয়ে দেওয়ার পরেও দেখভাল
হ্যান্ডওভারের পরেও বিল্ডিংয়ের রক্ষণাবেক্ষণ চলে, কাজ শেষ বলে ছেড়ে দেওয়া হয় না — আর সেটার শর্তগুলোও চুক্তিরই অংশ।
আপনার জমিতে কী উঠবে
জয়েন্ট ভেঞ্চারের বিল্ডিং কোনো বাড়ির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া বাড়তি অংশ নয় — এটি পুরোদস্তুর একটি আবাসিক প্রজেক্ট, আপনার প্লট আর সামনের রাস্তা যতটা অনুমোদন দেয় সেই হিসাবে নকশা করা। কত তলা হবে, কতগুলো অ্যাপার্টমেন্ট হবে — সবই আসে আপনার জমি থেকে, কোনো বাঁধা ছক থেকে নয়।

কাগজপত্রের ঝামেলা আমাদের, আপনার নয়
মাটি পরীক্ষা, স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং আর রাজউকের মঞ্জুরি — সবই আমরা করি, আমাদের খরচে। প্রতিটি ধাপ আপনাকে দেখানো হয়; কোনোটার পেছনে আপনাকে দৌড়াতে হয় না।

শেষে আপনি যা পাবেন
সম্পন্ন অ্যাপার্টমেন্ট — নিজে থাকার কিংবা ভাড়া দেওয়ার জন্য তৈরি, সঙ্গে তার পার্কিং। আপনার অংশ চুক্তিতে ইউনিট ধরে ধরে লেখা থাকে, ভিত ঢালাইয়ের আগেই।

যাঁরা ইতিমধ্যে আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন
আমার কাছে কিছু চাওয়ার আগেই ওঁরা বুঝিয়ে দিলেন আমার প্লটে কী করা সম্ভব, আর যে অনুপাতের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, চুক্তিতে ঠিক সেটাই লেখা হলো।
আমার কাগজপত্র ঠিক ছিল না, তাই বছরের পর বছর ফেলে রেখেছিলাম। ওঁরা কী কী লাগবে গুছিয়ে দিলেন, আর কতদিন লাগবে সেটা সত্যি কথাই বললেন।
যখন ইচ্ছা সাইটে গিয়ে দেখেছি, আর মালামাল ছিল চুক্তিতে লেখা ব্র্যান্ডেরই। যে মাসে হ্যান্ডওভারের কথা ছিল, ঠিক সেই মাসেই পেয়েছি।
আপনার আগে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের জিজ্ঞেস করুন
যাঁদের হাতে আমরা ইতিমধ্যে বিল্ডিং তুলে দিয়েছি, সেই জমির মালিকদের নম্বর আমাদের কাছে চেয়ে নিন — আর আমাদের ছাড়াই তাঁদের সঙ্গে কথা বলুন।
জমির মালিকদের সাধারণ প্রশ্ন
প্রায় প্রতিটি প্লটেই যে প্রশ্নগুলো ওঠে। আপনারটি এখানে না থাকলে নিচের ফর্মে জিজ্ঞেস করুন।
কোম্পানি প্রোফাইল পড়ুনবিল্ডিংয়ের কতটা অংশ আমি পাব?
নির্ভর করে প্লটের ওপর — জমির পরিমাণ, সামনের রাস্তা, আর সেখানে কতটা অনুমোদন পাওয়া যাবে। ঢাকায় ভাগটা সাধারণত মোটামুটি আধাআধি হয়, আর ভালো লোকেশনে জমির মালিক পান আরও বেশি। কোনো কিছুতে সই করার আগেই আমরা আপনাকে পুরো হিসাবটা দেখাই, আর সেটা কত বর্গফুটে দাঁড়ায় সেটাও।
চুক্তি সইয়ের সময় আমাকে কোনো টাকা দেওয়া হয়?
হ্যাঁ। ঢাকায় জয়েন্ট ভেঞ্চারে সাইনিং মানি একটা স্বাভাবিক অংশ, আর সেটা ঠিক হয় বিল্ডিংয়ের ভাগের সঙ্গেই। অঙ্কটা প্লটের ওপর নির্ভর করে, আর চুক্তিতে লেখা থাকে — ‘পরে দেখা যাবে’ বলে ফেলে রাখা হয় না।
আমার জমিতে আসলে কতটা তৈরি করা যাবে?
সেটা ঠিক করে দেয় ড্যাপ অনুযায়ী আপনার প্লটের জন্য অনুমোদিত এফএআর (ফ্লোর এরিয়া রেশিও), আর এটা জমির পরিমাণের মতোই সামনের রাস্তা কত ফুট তার ওপর নির্ভর করে। প্রস্তাব দেওয়ার আগেই আমরা আপনার প্লটের জন্য এটা হিসাব করি, আর হিসাবটা আপনাকে দেখাই।
এফএআর-এর নিয়ম বদলে গেছে। আমি কি আগের চেয়ে কম পাব?
২০২২ সালের ড্যাপ (বিস্তারিত এলাকা পরিকল্পনা) অনেক এলাকায় অনুমোদিত ফ্লোর এরিয়া কমিয়ে দিয়েছে, তাই একই প্লটে এখন আগের চেয়ে ছোট বিল্ডিং হয়। এটা সব ডেভেলপারের বেলাতেই সমান। পুরোনো নিয়মের হিসাব শুনিয়ে না দিয়ে, আপনার প্লটে আজ যতটা করা সম্ভব, আমরা সেটাই খোলাখুলি বলব।
তলাগুলো আমাদের মধ্যে ভাগ হয় কীভাবে?
ফ্ল্যাট ভাগ হয় তলা ধরে ধরে — একপক্ষ ওপরের সব আর অন্যপক্ষ নিচের সব, এভাবে নয় — যাতে কেউই বিল্ডিংয়ের শুধু ভালোটুকু বা শুধু খারাপটুকু না পায়। কোন ফ্ল্যাটগুলো আপনার, সেটা নির্মাণ শুরুর আগেই লিখিতভাবে ঠিক হয়ে যায়।
পার্কিং আর কমন স্পেসের কী হবে?
পার্কিং ভাগ হয় ফ্ল্যাটের সঙ্গে, একই অনুপাতে, আর কোনটা কার সেটা চুক্তিতে লেখা থাকে। লবি, সিঁড়ি, লিফট আর ছাদ পুরো বিল্ডিংয়ের কমন স্পেস — সব মালিকের যৌথ সম্পত্তি।
রাজউকের অনুমোদন কে করায়, আর খরচ কে দেয়?
আমরা করাই, আর খরচও আমাদের। নকশা, মাটি পরীক্ষা, অনুমোদন আর প্ল্যান পাস — সবই ডেভেলপারের কাজ, ডেভেলপারের খরচ। আপনার দিক থেকে শুধু জমিটুকু।
জমির মালিকানা কি হাতবদল হয়?
না। দলিল আপনার নামেই থাকে। জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি একটা ডেভেলপমেন্ট চুক্তি, বিক্রি নয় — মালিকানার কোনো হাতবদল হয় না।
ভূমিকম্প আর আগুন থেকে বিল্ডিং কতটা সুরক্ষিত?
বিল্ডিংয়ের কাঠামো নকশা করা হয় বর্তমান বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুযায়ী ভূমিকম্পের ভার হিসাব করে, আর অগ্নিনিরাপত্তাও একই কোড মেনে। দুটোই যাচাই হয় নকশার পর্যায়ে — বিল্ডিং ওঠার পরে তর্ক করে নয়।
মালামাল যা বলা হয়েছিল তা-ই দেওয়া হচ্ছে, বুঝব কীভাবে?
কোন ব্র্যান্ড, কোন গ্রেড — চুক্তিতে নাম ধরে লেখা থাকে, শুধু ‘প্রিমিয়াম’ বলে ছেড়ে দেওয়া হয় না; আর রড ও সিমেন্ট ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। যেকোনো সময় সাইটে এসে নিজে দেখে যেতে পারেন।
আমার কাগজপত্র ঠিক নেই। এটা কি সমস্যা?
এটা খুব সাধারণ ব্যাপার, আর বেশিরভাগ সময় ঠিক করে নেওয়া যায় — নামজারি, খতিয়ান সংশোধন, ওয়ারিশের বণ্টন, সবই নিয়মিত কাজ। কোথায় কী অবস্থায় আছে জানান, কী কী লাগবে আমরা বলে দেব।
হ্যান্ডওভারের পরে কী হয়?
চাবি বুঝিয়ে দেওয়ার পরেও বিল্ডিংয়ের দেখভাল চলে, কাজ শেষ বলে ছেড়ে দেওয়া হয় না — আর সেটার শর্তগুলোও চুক্তিরই অংশ।
আপনার জমির কথা বলুন
মাত্র তিনটি ঘর, আর কোনো রকম বাধ্যবাধকতা নেই। আপনার প্লটে কী করা সম্ভব আর ন্যায্য ভাগাভাগি কেমন হতে পারে — দুটোই আমরা জানাব।
প্লটের বিস্তারিত পরের পাতায় জানতে চাইব, চাইলে সেটা বাদ দিতে পারেন — আপনার তথ্য এমনিতেই আমাদের কাছে পৌঁছে যাবে।
এখনই সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না? তবু তথ্যটুকু পাঠিয়ে রাখুন। আপনার প্লটে কী করা সম্ভব আমরা জানিয়ে দেব — কোনো খরচ নেই, কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।
