আসছেঅ্যাপার্টমেন্ট · উত্তরা
ঢাকা
সরাসরি বিক্রি করুন, অথবা আমাদের সঙ্গে জমিতে বিল্ডিং তুলুন — সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আমরা দুই হিসাবই আপনাকে দিই, আর আপনার প্লটের তথ্য একটি গোপনীয় ইনবক্সের বাইরে কোথাও যায় না।
উত্তরায় আপনার জমি থাকলে ডেভেলপাররা আপনার কাছে আসে একটা সোজা কারণে: জমি আর নেই। সেক্টরগুলো ভরে গেছে, নতুন কিছু বরাদ্দ হচ্ছে না, আর মেট্রো এই ঠিকানাটাকে সেই সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দামি করে তুলেছে, যখন এই প্লটগুলোর বেশিরভাগ বরাদ্দ হয়েছিল। উত্তরায় বিল্ডিং তুলতে চাওয়া ডেভেলপারকে আসতেই হয় এমন কারও কাছে, যাঁর ইতিমধ্যে একটা প্লট আছে — আর সেটা আপনি হলে, দর কষাকষির আগে বুঝে নেওয়া ভালো এই অবস্থানটা কতটা শক্ত।
জয়েন্ট ভেঞ্চার এখানে অন্য সব জায়গার মতোই কাজ করে। জমি আপনারই থাকে। ডেভেলপার নিজের খরচে নকশা করে, অনুমোদন করায়, বিল্ডিং তোলে, আর তৈরি হওয়া ফ্ল্যাটগুলো নির্মাণ শুরুর আগে ঠিক করা অনুপাতে আপনার আর ডেভেলপারের মধ্যে ভাগ হয়। আপনি এক টাকাও দেন না, আর নগদ টাকার বদলে পান ফ্ল্যাট — সেজন্যই যাঁরা সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা নেওয়ার বদলে ধরে রাখতে চান, তাঁরা সাধারণত সরাসরি বিক্রির চেয়ে এটাই পছন্দ করেন।
অনুপাত ঠিক করে এলাকা নয়, প্লট। জমির পরিমাণ, সামনের রাস্তা, কর্নার কি না, আর সেটব্যাক বাদে অনুমোদিত ফ্লোর এরিয়া — সবই এতে প্রভাব ফেলে; আর উত্তরায় সেক্টরও, কারণ স্টেশনের কাছের পুরোনো সেক্টরের একটা বিল্ডিং দূরের একই বিল্ডিংয়ের চেয়ে বেশি দাম পায়। অনুপাত নিয়ে কথা শুরুর আগেই যেকোনো ডেভেলপারকে বলুন দুই পক্ষের ফ্লোর এরিয়ার হিসাব দেখাতে। যে প্রস্তাব অনুপাত দিয়ে শুরু করে উল্টো দিক থেকে হিসাব মেলায়, সেটা বলে দেয় অঙ্কটা কার সুবিধায় কষা।
প্লটে যদি ইতিমধ্যে একটা পুরোনো বিল্ডিং দাঁড়িয়ে থাকে — পুরোনো সেক্টরগুলোতে যেটা ক্রমেই বাড়ছে — তাহলে ব্যাপারটা পুরোনো বিল্ডিং ভেঙে নতুন করা, আর চুক্তিতে আরও দুটো বিষয় থাকা চাই। নির্মাণের সময় আপনি কোথায় থাকবেন, কার খরচে, কতদিন। আর ভাড়াটিয়া থাকলে তাঁদের কী হবে — এটা ছোটখাটো বিষয় নয়, সত্যিকারের দায়। দুটোতেই টাকা লাগে, দুটোই আলোচনার বিষয়, আর কোনোটাই পরের জন্য ফেলে রাখলে ভালো হয় না।
বাকিটা সেই সাধারণ নিয়ম, যেটা ঠিক করে একটা জয়েন্ট ভেঞ্চার ভালোয় ভালোয় শেষ হবে কি না: আপনার ফ্ল্যাটগুলো শতাংশে নয়, তলা আর দিক ধরে চিহ্নিত; হ্যান্ডওভারের তারিখ আর তা পেরোলে কী হবে লিখিতভাবে; ফিনিশিংয়ের স্পেসিফিকেশন ব্র্যান্ড আর মালামালের নামে; আর ইউটিলিটি সংযোগ ও রাজউকের ফি কে দেবে। তারপর রেফারেন্স চান, আর তাঁদের ফোন করুন। যাঁর হাতে ইতিমধ্যে বিল্ডিং তুলে দেওয়া হয়েছে, তিনি সোজা বলে দেবেন বিল্ডিংটা সময়মতো, প্রতিশ্রুত মানে শেষ হয়েছিল কি না — আর সেই আলাপ যেকোনো ব্রোশিওরের চেয়ে দামি, আমাদেরটাসহ।
নিজে গিয়ে দেখে আসুন। একটি বিল্ডিং যা বলে, এই পাতার কোনো কথাই তা বলতে পারে না।
প্রতিটি জমির মালিকই আমাদের যা জিজ্ঞেস করেন — আপনার জিজ্ঞেস করার আগেই উত্তর দিয়ে রাখলাম।
চারটি ধাপ, যেকোনো ধাপের পর আপনি থেমে যেতে পারেন।
শুরু করতে জমির পরিমাণ, অবস্থান আর সামনের রাস্তা কত ফুট — এটুকুই যথেষ্ট। এই পাতার ফর্মটি পূরণ করতে দুই মিনিট লাগে, আর আপনি যা পাঠান তার কিছুই প্রকাশ হয় না, কারও কাছে যায়ও না।
আমরা প্লটটি দেখি, জোনিং আর সামনের রাস্তা যাচাই করি, আর রাজউক কতটা ফ্লোর এরিয়া অনুমোদন দেবে সেটা হিসাব করি। আপনি শুধু উত্তরটা নয়, পুরো হিসাবটাই পান।
প্রস্তাবিত ভাগ, তাতে কত ফ্লোর এরিয়া পড়ে, আর চুক্তি সইয়ের সময় আপনি কত টাকা পাবেন — তিনটিই লিখিতভাবে দেখে নেন, কোনো কিছুতে সই করার আগে।
মাটি পরীক্ষা, স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং আর প্ল্যান পাস — সবই আমরা করি, আমাদের খরচে। প্রতিটি ধাপ আপনাকে দেখানো হয়; কোনো কিছুর পেছনে আপনাকে দৌড়াতে হয় না।
নির্মাণের টাকা আর তদারকি আমাদের, মালামাল চুক্তিতে নাম লেখা ব্র্যান্ডের। কাজ শেষে আপনার ফ্ল্যাটগুলো আর তাদের পার্কিং আপনি বুঝে নেন।
উত্তরায় আপনার প্লটে কী করা সম্ভব, জানতে চান?
নিজের জমিতে বিল্ডিং তুলুননিচের প্রতিটি কথা নির্মাণ শুরুর আগেই জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তিতে লিখে দেওয়া হয়।
তারিখটি চুক্তির শর্ত, আর পিছোলে কী হবে সেটাও লেখা — ব্রোশিওরের কোনো লক্ষ্যমাত্রা নয়।
বিল্ডিংয়ের কাঠামো নকশা করা হয় বর্তমান বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভূমিকম্প আর আগুনের ভার হিসাব করে, আর সেই স্পেসিফিকেশন চুক্তির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া থাকে।
রড, সিমেন্ট আর ফিটিংস চুক্তিতে ব্র্যান্ড আর গ্রেড ধরে লেখা থাকে, শুধু ‘প্রিমিয়াম’ বলে ছেড়ে দেওয়া হয় না — তাই যেকোনো সময় সাইটে গিয়ে নিজেই মিলিয়ে নিতে পারেন।
হ্যান্ডওভারের পরেও বিল্ডিংয়ের রক্ষণাবেক্ষণ চলে, কাজ শেষ বলে ছেড়ে দেওয়া হয় না — আর সেটার শর্তগুলোও চুক্তিরই অংশ।
আমার কাছে কিছু চাওয়ার আগেই ওঁরা বুঝিয়ে দিলেন আমার প্লটে কী করা সম্ভব, আর যে অনুপাতের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, চুক্তিতে ঠিক সেটাই লেখা হলো।
আমার কাগজপত্র ঠিক ছিল না, তাই বছরের পর বছর ফেলে রেখেছিলাম। ওঁরা কী কী লাগবে গুছিয়ে দিলেন, আর কতদিন লাগবে সেটা সত্যি কথাই বললেন।
যখন ইচ্ছা সাইটে গিয়ে দেখেছি, আর মালামাল ছিল চুক্তিতে লেখা ব্র্যান্ডেরই। যে মাসে হ্যান্ডওভারের কথা ছিল, ঠিক সেই মাসেই পেয়েছি।
এই এলাকার জমির মালিকরা যা জিজ্ঞেস করেন। আপনারটি এখানে না থাকলে নিচের ফর্মে জিজ্ঞেস করুন।
কারণ সেক্টরগুলো গড়ে উঠে গেছে আর নতুন কোনো প্লট বরাদ্দ হচ্ছে না, তাই এখানে বিল্ডিং তোলার একমাত্র পথ হলো এমন কারও সঙ্গে কাজ করা, যাঁর ইতিমধ্যে জমি আছে। তার সঙ্গে মেট্রো যাতায়াতের সময় কমিয়ে দেওয়ায় উত্তরার জমির মালিকরা আজ সত্যিই দর কষাকষির শক্ত অবস্থানে।
এটা এলাকা নয়, প্লটের ওপর নির্ভর করে: জমির পরিমাণ, সামনের রাস্তা, কর্নার কি না, সেটব্যাক বাদ দিয়ে অনুমোদিত ফ্লোর এরিয়া, আর কোন সেক্টর। আপনার জমিতে খাটবে না এমন কোনো সংখ্যা মুখে মুখে না বলে, আমরা আপনার প্লট ধরে হিসাব করি, আর কিছু ঠিক হওয়ার আগে দুই পক্ষের ফ্লোর এরিয়া আপনাকে দেখাই।
তাহলে সেটা পুরোনো বিল্ডিং ভেঙে নতুন করা, আর চুক্তিতে আরও দুটো বিষয় থাকতে হবে: নির্মাণের সময় আপনি কোথায় থাকবেন, কার খরচে, কতদিন — আর বর্তমান ভাড়াটিয়া থাকলে তাঁদের কী হবে। দুটোই আলোচনার বিষয়, আর কোনোটাই পরের জন্য ফেলে রাখলে ভালো হয় না।
আপনার ফ্ল্যাটগুলো শতাংশে নয়, তলা আর দিক ধরে চিহ্নিত; হ্যান্ডওভারের তারিখ আর তা পিছোলে কী হবে; ফিনিশিংয়ের স্পেসিফিকেশন ব্র্যান্ড আর মালামালের নামে; ইউটিলিটি সংযোগ আর রাজউকের ফি কে দেবে; আর বিল্ডিং শেষ হওয়ার আগে আপনার অংশ বিক্রি করতে পারবেন কি না।
মাত্র তিনটি ঘর, আর কোনো রকম বাধ্যবাধকতা নেই। আপনার প্লটে কী করা সম্ভব আর ন্যায্য ভাগাভাগি কেমন হতে পারে — দুটোই আমরা জানাব।
প্লটের বিস্তারিত পরের পাতায় জানতে চাইব, চাইলে সেটা বাদ দিতে পারেন — আপনার তথ্য এমনিতেই আমাদের কাছে পৌঁছে যাবে।
এখনই সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না? তবু তথ্যটুকু পাঠিয়ে রাখুন। আপনার প্লটে কী করা সম্ভব আমরা জানিয়ে দেব — কোনো খরচ নেই, কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।