সম্পন্নঅ্যাপার্টমেন্ট · ধানমন্ডি
ডেমো প্রজেক্ট — ধানমন্ডি
1,650 বর্গফুট · 3 বেড
ঢাকা
সরাসরি বিক্রি করুন, অথবা আমাদের সঙ্গে জমিতে বিল্ডিং তুলুন — সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আমরা দুই হিসাবই আপনাকে দিই, আর আপনার প্লটের তথ্য একটি গোপনীয় ইনবক্সের বাইরে কোথাও যায় না।
ধানমন্ডির প্রায় প্রতিটি জয়েন্ট ভেঞ্চারই পুরোনো বিল্ডিং ভেঙে নতুন করা। প্লটগুলো বরাদ্দ হয়েছিল কয়েক দশক আগে, বিল্ডিংও উঠেছিল তার পরপরই — তাই একজন ডেভেলপার যেটা প্রস্তাব করছেন সেটা খালি জমিতে বিল্ডিং তোলা নয়, বরং এখনো দাঁড়িয়ে থাকা, প্রায়ই এখনো লোকে থাকা একটা বিল্ডিংকে বদলে ফেলা। এটা আলোচনাটাকেই এমনভাবে পাল্টে দেয়, যেটা টেবিলে বসার আগে বুঝে নেওয়া ভালো — কারণ ব্যবস্থাটা আপনার জন্য কাজ করবে কি না তা ঠিক করে যে প্রশ্নগুলো, সেগুলো খালি প্লটের প্রশ্ন থেকে আলাদা।
এখানে হিসাবটা সাধারণত মালিকের পক্ষে, আর কারণটা সহজ: এই ঠিকানায় আর নতুন জমি নেই। ধানমন্ডিতে নতুন কিছু তৈরি হচ্ছে না, চাহিদা কমেনি, আর এখানে বিল্ডিং তুলতে চাওয়া ডেভেলপারকে আসতেই হয় এমন কারও কাছে, যাঁর ইতিমধ্যে একটা প্লট আছে। সেটা আপনি হলে, আপনি আছেন যে পক্ষের হাতে জোগান কম, সেই পক্ষে। জমির মালিকের দর কষাকষির এটাই সবচেয়ে শক্ত অবস্থান, আর প্রথম প্রস্তাবিত অনুপাতটা মেনে না নিয়ে সময় নিয়ে সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
ফল ঠিক করে এলাকা নয়, প্লট। জমির পরিমাণ, সামনের রাস্তা আর কর্নার কি না — এগুলো ঠিক করে অনুমোদিত ফ্লোর এরিয়া, আর সেই ফ্লোর এরিয়াটাই দুই পক্ষ ভাগ করে। নতুন এলাকার চেয়ে এখানে সেটব্যাক বেশি গুরুত্ব পায়, কারণ প্লটগুলো ছোট — তাই সামনের এক মিটার বসুন্ধরার চেয়ে এখানে হিসাবটাকে বেশি নাড়ায়। অনুপাত নিয়ে কথা শুরুর আগেই যেকোনো ডেভেলপারকে বলুন দুই পক্ষের ফ্লোর এরিয়ার হিসাব দেখাতে — যে প্রস্তাব অনুপাত দিয়ে শুরু করে উল্টো দিক থেকে হিসাব মেলায়, সেটা বলে দেয় অঙ্কটা কার সুবিধায় কষা।
তারপর আসে পুরোনো বিল্ডিং ভাঙার নিজস্ব প্রশ্ন: কাজ চলার সময় আপনি থাকবেন কোথায়। খালি প্লটে মালিকের খরচ শুধু সময়। যে বিল্ডিংয়ে আপনি থাকেন, কিংবা আপনার ভাড়াটিয়ারা থাকেন, সেটা ভাঙতে গেলে পুরো সময়টার বাসাভাড়া লাগে, আর সেই সময় মাসে নয়, বছরে মাপা হয়। ডেভেলপার সেই ভাড়া দেবে কি না, কত হারে, আর নির্মাণ দেরি হলে কী হবে — এসব চুক্তিতে থাকা উচিত অনুপাতের মতোই পাকাপোক্তভাবে। ভাড়াটিয়াদের কী হবে, সেটাও — এটা সত্যিকারের একটা দায়, ছোটখাটো বিষয় নয়।
বাকিটা যেকোনো ডেভেলপমেন্ট চুক্তির সাধারণ নিয়ম, আর এগুলো ঐচ্ছিক নয়। আপনার ফ্ল্যাটগুলো তলা আর দিক ধরে চিহ্নিত, কখনো শতাংশে নয়। হ্যান্ডওভারের তারিখ, আর তা পেরোলে কী হবে লিখিতভাবে। ফিনিশিংয়ের স্পেসিফিকেশন বিশেষণে নয়, ব্র্যান্ড আর মালামালের নামে। ইউটিলিটি সংযোগ আর রাজউকের ফি কে দেবে। আর এমন রেফারেন্স, যাঁদের আপনি সত্যিই ফোন করেন — ধানমন্ডিতে কাজ করা যেকোনো ডেভেলপার এমন মালিকদের নাম বলতে পারবে যাঁদের হাতে তারা বিল্ডিং তুলে দিয়েছে, আর তেমন একজন মালিকের সঙ্গে একটা আলাপ যেকোনো ব্রোশিওরের চেয়ে দামি — আমাদেরটাসহ।
নিজে গিয়ে দেখে আসুন। একটি বিল্ডিং যা বলে, এই পাতার কোনো কথাই তা বলতে পারে না।
প্রতিটি জমির মালিকই আমাদের যা জিজ্ঞেস করেন — আপনার জিজ্ঞেস করার আগেই উত্তর দিয়ে রাখলাম।
চারটি ধাপ, যেকোনো ধাপের পর আপনি থেমে যেতে পারেন।
শুরু করতে জমির পরিমাণ, অবস্থান আর সামনের রাস্তা কত ফুট — এটুকুই যথেষ্ট। এই পাতার ফর্মটি পূরণ করতে দুই মিনিট লাগে, আর আপনি যা পাঠান তার কিছুই প্রকাশ হয় না, কারও কাছে যায়ও না।
আমরা প্লটটি দেখি, জোনিং আর সামনের রাস্তা যাচাই করি, আর রাজউক কতটা ফ্লোর এরিয়া অনুমোদন দেবে সেটা হিসাব করি। আপনি শুধু উত্তরটা নয়, পুরো হিসাবটাই পান।
প্রস্তাবিত ভাগ, তাতে কত ফ্লোর এরিয়া পড়ে, আর চুক্তি সইয়ের সময় আপনি কত টাকা পাবেন — তিনটিই লিখিতভাবে দেখে নেন, কোনো কিছুতে সই করার আগে।
মাটি পরীক্ষা, স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং আর প্ল্যান পাস — সবই আমরা করি, আমাদের খরচে। প্রতিটি ধাপ আপনাকে দেখানো হয়; কোনো কিছুর পেছনে আপনাকে দৌড়াতে হয় না।
নির্মাণের টাকা আর তদারকি আমাদের, মালামাল চুক্তিতে নাম লেখা ব্র্যান্ডের। কাজ শেষে আপনার ফ্ল্যাটগুলো আর তাদের পার্কিং আপনি বুঝে নেন।
ধানমন্ডিতে আপনার প্লটে কী করা সম্ভব, জানতে চান?
নিজের জমিতে বিল্ডিং তুলুননিচের প্রতিটি কথা নির্মাণ শুরুর আগেই জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তিতে লিখে দেওয়া হয়।
তারিখটি চুক্তির শর্ত, আর পিছোলে কী হবে সেটাও লেখা — ব্রোশিওরের কোনো লক্ষ্যমাত্রা নয়।
বিল্ডিংয়ের কাঠামো নকশা করা হয় বর্তমান বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভূমিকম্প আর আগুনের ভার হিসাব করে, আর সেই স্পেসিফিকেশন চুক্তির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া থাকে।
রড, সিমেন্ট আর ফিটিংস চুক্তিতে ব্র্যান্ড আর গ্রেড ধরে লেখা থাকে, শুধু ‘প্রিমিয়াম’ বলে ছেড়ে দেওয়া হয় না — তাই যেকোনো সময় সাইটে গিয়ে নিজেই মিলিয়ে নিতে পারেন।
হ্যান্ডওভারের পরেও বিল্ডিংয়ের রক্ষণাবেক্ষণ চলে, কাজ শেষ বলে ছেড়ে দেওয়া হয় না — আর সেটার শর্তগুলোও চুক্তিরই অংশ।
আমার কাছে কিছু চাওয়ার আগেই ওঁরা বুঝিয়ে দিলেন আমার প্লটে কী করা সম্ভব, আর যে অনুপাতের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, চুক্তিতে ঠিক সেটাই লেখা হলো।
আমার কাগজপত্র ঠিক ছিল না, তাই বছরের পর বছর ফেলে রেখেছিলাম। ওঁরা কী কী লাগবে গুছিয়ে দিলেন, আর কতদিন লাগবে সেটা সত্যি কথাই বললেন।
যখন ইচ্ছা সাইটে গিয়ে দেখেছি, আর মালামাল ছিল চুক্তিতে লেখা ব্র্যান্ডেরই। যে মাসে হ্যান্ডওভারের কথা ছিল, ঠিক সেই মাসেই পেয়েছি।
এই এলাকার জমির মালিকরা যা জিজ্ঞেস করেন। আপনারটি এখানে না থাকলে নিচের ফর্মে জিজ্ঞেস করুন।
জমির মালিকানা আপনারই থাকে। ডেভেলপার পুরোনো বিল্ডিং ভেঙে নতুন বিল্ডিংয়ের নকশা করে, অনুমোদন করায়, আর নিজের খরচে তৈরি করে; তৈরি হওয়া ফ্ল্যাটগুলো আগে থেকে ঠিক করা অনুপাতে আপনার আর ডেভেলপারের মধ্যে ভাগ হয়। নির্মাণের সময় আপনি এক টাকাও দেন না, আর শেষে নগদ টাকার বদলে পান ফ্ল্যাট।
এটা আলোচনার বিষয়, আর কোনো কিছুতে সই করার আগেই লিখিতভাবে ঠিক হওয়া উচিত — মাসে কত, কতদিন পর্যন্ত, আর নির্মাণ দেরি হলে কী হবে, সবসহ। পুরোনো বিল্ডিং ভেঙে নতুন করার ক্ষেত্রে এটা অনুপাতের মতোই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুরো সময়টা আপনি নিজের থাকার জায়গা ছেড়ে দিচ্ছেন।
এটা এলাকা নয়, প্লটের ওপর নির্ভর করে: জমির পরিমাণ, সামনের রাস্তা, কর্নার কি না, আর সেটব্যাক বাদ দিয়ে কতটা ফ্লোর এরিয়া অনুমোদন পাবে। আপনার জমিতে খাটবে না এমন কোনো সংখ্যা মুখে মুখে না বলে, আমরা আপনার প্লট ধরে হিসাব করি, আর কিছু ঠিক হওয়ার আগে দুই পক্ষের ফ্লোর এরিয়া আপনাকে দেখাই।
আপনার ফ্ল্যাটগুলো শতাংশে নয়, তলা আর দিক ধরে চিহ্নিত; হ্যান্ডওভারের তারিখ আর তা পিছোলে কী হবে; ফিনিশিংয়ের স্পেসিফিকেশন ব্র্যান্ড আর মালামালের নামে; ইউটিলিটি সংযোগ আর রাজউকের ফি কে দেবে; নির্মাণের সময় বাসাভাড়ার ব্যবস্থা; আর বর্তমান ভাড়াটিয়া থাকলে তাঁদের কী হবে।
মাত্র তিনটি ঘর, আর কোনো রকম বাধ্যবাধকতা নেই। আপনার প্লটে কী করা সম্ভব আর ন্যায্য ভাগাভাগি কেমন হতে পারে — দুটোই আমরা জানাব।
প্লটের বিস্তারিত পরের পাতায় জানতে চাইব, চাইলে সেটা বাদ দিতে পারেন — আপনার তথ্য এমনিতেই আমাদের কাছে পৌঁছে যাবে।
এখনই সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না? তবু তথ্যটুকু পাঠিয়ে রাখুন। আপনার প্লটে কী করা সম্ভব আমরা জানিয়ে দেব — কোনো খরচ নেই, কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।